“মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন ‘ডিএনএ ল্যাবরেটরী ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর’ স্থাপনের প্রজ্ঞাপন”

শেয়ার / প্রিন্ট করুনঃ
ডিএনএ প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে অপরাধী ও নিখোঁজ ব্যক্তি শনাক্তকরণ, পিতৃত্ব ও মাতৃত্ব নির্ধারণ ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা দুর্ঘটনাজনিত কারনে মৃত ব্যক্তি শনাক্ত করা সম্ভব হয়। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন ‘ডিএনএ ল্যাবরেটরী ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর’ নামে নতুন একটি অধিদপ্তরের প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার।

ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক এসিড (ডিএনএ) আইন, ২০১৪ (২০১৪ সনের ১০ নং আইন) এর ধারা ২০ অনুযায়ী মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে এই পূর্ণাঙ্গ ডিএনএ ল্যাবরেটরি ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর গঠন করা হয়েছে। জারিকৃত প্রজ্ঞাপন এস, আর, ও নম্বর -২১২-আইন/২০২০ তারিখ: ৯ আগস্ট ২০২০ খ্রি:।

উল্লেখ্য, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন নারী নির্যাতন প্রতিরোধকল্পে মাল্টিসেক্টরাল প্রোগ্রামের আওতায় প্রতিষ্ঠিত ন্যাশনাল ফরেনসিক ডিএনএ প্রোফাইলিং ল্যাবরেটরী ঢাকা মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসের নিউক্লিয়ার মেডিসিন বিল্ডিং এর ১১ তলায় অবস্থিত। ঘৃণ্যতম অপরাধ দমনে এই ডিএনএ ল্যাবরেটরীর মাধ্যমে পুলিশ ও অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে সহায়তা প্রদান করা হয়। ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে পিতৃত্ব অথবা মাতৃত্বের প্রমাণ, বিদেশে গ্রহনেচ্ছুকদের প্রয়োজনীয় ডিএনএ পরীক্ষা, বংশের ধারা প্রমান, বিভিন্ন দুর্যোগে ও দুর্ঘটনায় নিখোজ এবং মৃত্যু ব্যক্তির পরিচিতি উদ্ধারে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে থাকে। এই ল্যাবরেটরী তাজরীন ফ্যাশন্স এর অগ্নিকান্ডের ঘটনা এবং রানা প্লাজা ধ্বসে অজ্ঞাত মৃতদেহ শনাক্তকরণের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

রাজশাহী, সিলেট, বরিশাল, খুলনা, রংপুর ও ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিভাগীয় ডিএনএ স্ক্রিনিং ল্যাবরেটরী স্থাপন করা হয়েছে। বিভাগীয় ল্যাবরেটরিসমূহ দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে গৃহীত মামলার নমুনা সংগ্রহ করে ন্যাশনাল ফরেনসিক ডিএনএ প্রোফাইলিং ল্যাবরেটরিতে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য প্রেরণ করে থাকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *