চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালে পিএসজি

শেয়ার / প্রিন্ট করুনঃ

২৫ বছর পর চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালে পিএসজি। চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ আটে ইতালির ক্লাব আটালান্টার বিপক্ষে ২-১ গোলের জয় তুলে নিয়েছে পিএসজি।

বুধবার রাতের ম্যাচে পর্তুগালের লিসবনে এক লেগের খেলায় ম্যাচের ৮৯ মিনিট পর্যন্ত ১-০ গোলে পিছিয়ে ছিলেন নেইমাররা। কিন্তু ৯০ মিনিটে মারকুইনোসের গোলে সমতায় ফেরে পিএসজি। ৯২ মিনিটে মোটিংয়ের গোলে চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে পিএসজি।

পুরো ম্যাচে দারুণ ফুটবল খেলেছে পিএসজি। কিন্তু শুরুতেই নেইমাররা নামেন গোলে মিসের প্রতিযোগিতায়। ম্যাচে দারুণ চার- চারটি সুযোগ হাতছাড়া করেছেন নেইমার। তার মধ্যে সহজ এবং সেরা মিসটা করেন ৪ মিনিটের মাথায়। দারুণ এক বল নিয়ে আটালান্টার বক্সে ঢুকে পড়েন তিনি। কিন্তু গোলরক্ষককে একা পেয়েও জালে বল জড়াতে পারেননি ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড।

নেইমারদের গোল মিসের সুযোগ নিয়ে ২৬ মিনিটে প্যাসালিক গোল করে আটালান্টাকে এগিয়ে নেন। প্রথমার্ধেই পিএসজিকে ফেলে দেন চাপে। ওই চাপ পুরো ম্যাচে মাথায় নিয়ে খেলতে হয়েছে নেইমার-থিয়াগো সিলভাদের। ইনজুরির কারণে ম্যাচের শুরুর একাদশে ছিলেন না এমবাপ্পে। ৬১ মিনিটে বদলি হিসেবে নেমে ম্যাচে বাড়তি গতি আনেন তিনি।

মিডফিল্ডে ভেরাত্তির মতো ফুটবলার না থাকা, ডি মারিয়াকে নিষেধাজ্ঞার জন্য না পাওয়া বাড়তি চাপ হয়েছে পিএসজির জন্য। নেইমারকে তাই মাঝমাঠ থেকে ম্যাচ গড়ে খেলতে হয়েছে। প্রথমার্ধে মাঝমাঠ থেকে দারুণ ড্রিবলিংয়ে বেশ কিছু বল নিয়ে ঢুকেও তাই শেষ টানতে পারেননি তিনি।

তবে শেষ পর্যন্ত পিএসজির ত্রাতা ওই নেইমার-এমবাপ্পেই। আটালান্টার বিপক্ষে ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার হিসেব খেলা ব্রাজিল ডিফেন্ডার মারকুইনোসকে দিয়ে দলের প্রথম গোলটি করার নেইমার। দুই মিনিট পরে মোটিংকে দিয়ে গোল করান এমবাপ্পে। দুই ফরোয়ার্ডের দেওয়া পাস ধরে গোল করেই ১৯৯৫ সালের পরে আবার চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালে উঠেছে পিএসজি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *