ঈদ-উল আযহা উপলক্ষে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আইন-শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত

শেয়ার / প্রিন্ট করুনঃ

আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল-আযহা ২০২০ উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা বিষয়ে আজ দুপুরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় পশুর হাটে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার জন্য একটি গাইডলাইন তৈরি করছে। উক্ত গাইডলাইন বাস্তবায়নের জন্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ব্যবস্থা নেবে। ঢাকা শহরের বাইরে পশুর হাট বসানোর জন্য ইতোমধ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও সিটি করপোরেশন ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এ বছর অনলাইন কেনাকাটার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।

কোরবানির হাটের ইজারাদারদের ব্যবস্থায় হাটের প্রবেশ পথে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা (বেসিনসহ) হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখতে হবে। ক্রেতাদের মাস্ক পরিধান করে হাটে প্রবেশ করতে হবে। কোন ক্রেতা মাস্ক পড়ে না আসলে ইজারাদারদের নিকট সংরক্ষিত মাস্ক ক্রয় করে হাটে প্রবেশ করতে হবে। হাটের কাছে ব্যাংক বুথ থাকবে।

রাস্তাঘাটের ওপর পশুর হাট বসতে দেয়া যাবে না। পশুর ট্রাক কোন হাটে যাবে তা ওই ট্রাকের সামনে ব্যানারে লেখা থাকবে। পশুর ট্রাক অন্য কোথাও থামানো যাবে না। পশুবাহী কোন গাড়ি রাস্তায় থামানো যাবে না। নিরাপত্তা বাহিনী প্রতিবারের মতো, জাল নোট, চাঁদাবাজি ও অজ্ঞান-মলম পার্টি  হতে নিরাপত্তা দেবে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, নদীপথে ফেরি, লঞ্চ ও জাহাজে অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহণ করা যাবেনা। অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহণ করলে কোস্টগার্ড ও নৌ-পুলিশ ব্যবস্থা নেবে। নদীপথে পশুবাহী ট্রলার যাতে অতিরিক্ত বোঝাই না হয় সে ব্যাপারে কোস্টগার্ড ও নৌ-পুলিশ লক্ষ্য রাখবে।

পশুর চামড়ার দাম নির্ধারণ ও যথাযথভাবে বিপণনের বিষয়ে শিল্প মন্ত্রণালয় ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।

গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি অন্যান্যবারের চেয়ে কম সময়ের জন্য বন্ধ রাখা যেতে পারে। শ্রমিকদের বেতন বোনাস যথাসময়ে পরিশোধে বিজিএমইএ এবং কারখানা মালিকগণ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

এবারের ঈদ-উল-আযহার জামায়াত মসজিদে আদায়ের জন্য ধর্ম মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান এমপির সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তাফা কামাল উদ্দীন, সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিব মো. শহিদুজ্জামান, ইন্সপেক্টর জেনারেল অব বাংলাদেশ পুলিশ  ড. বেনজীর আহমেদ বিপিএম (বার) সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *