সমাজে প্রচলিত কিছু কুসংস্কার

শেয়ার / প্রিন্ট করুনঃ

বৈজ্ঞানিক বা ধর্মীয় কোনো ভিত্তি না থাকা সত্বেও  আমরা ছোট বেলা থেকেই কিছু কিছু কথা শুনেছি, যা আদও সত্য নয় বা যে কথা গুলোর কোন ভিত্তি নেই। এক কথায়  যাকে বলে কুসংস্কার। যেগুলো বিশ্বাস করা বা মেন চলার কোন অর্থই হয় না।

কতিপয় প্রচিলিত কুসংস্কার: 

•    জোড়া কলা খেলে জমজ সন্তান জন্ম নেয়
•    পুরুষের বুকে লোম থাকলে স্ত্রী বেশি ভালোবাসে
•    পরীক্ষা দিতে যাওয়ার আগে ডিম খাওয়া যাবে না তাহলে পরীক্ষায় গোল্লা পাবে
•    বিড়াল মারলে আড়াই কেজি লবণ ‘সদকা’ করতে হয়
•    ছোট বাচ্চাদের দাঁত পড়লে তা ইঁদুরের গর্তে ফেলতে হয়
•    রাতে নখ, চুল, দাঁড়ি-গোফ কাটতে নেই
•    ঘর থেকে বের হওয়ার সময় পেছন দিকে ফিরে তাকানো নিষেধ; তাতে যাত্রা ভঙ্গ হয় বা যাত্রা অশুভ হয়
•    হাতের তালু চুলকালে টাকা আসে
•    খালি ঘরে সন্ধ্যায় বাতি দিতে হয়, না হলে অমঙ্গল হয়
•    শকূন ডাকলে বা পেঁচার ডাককেও বিপদের কারণ মনে করা
•    রাস্তায় চলা সময় হোঁচট খেলে পিছিয়ে পুনরায় চলা শুরু করতে হয়
•    ভাত প্লেটে নেওয়ার সময় একবার নিতে হয় না
•    সূর্যগ্রহণের সময় গর্ভবতী নারীরা কিছু কাটলে গর্ভের সন্তান নাক-কান বা ঠোঁট কাটা অবস্থায় জন্ম নেয়
•    নারীদের হাতে বালা বা চুড়ি নাকে নাক ফুল না পরলে স্বামীর অমঙ্গল হয়
•    যে নারীর নাক ঘামে সে স্বামীকে অধিক ভালোবাসে
•    আয়না দিয়ে চেহারা দেখা যাবে না, তাতে অমঙ্গল হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *