সুস্থ হয়ে কা‌জে ফি‌রে‌ছেন করোনা আক্রান্ত এক-তৃতীয়াংশ পুলিশ সদস্য

শেয়ার / প্রিন্ট করুনঃ

মহামারী করোনা সংক্রমণের শুরু থেকে একক পেশা হিসেবে যেমন সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছেন বাংলাদেশ পুলিশের সদস্যরা, তদ্রুপ তাঁরাই আবার সুচিকিৎসা পেয়ে দলে দলে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরছেন।

শুক্রবার পর্যন্ত বাংলাদেশ পুলিশের ১৫৬৩ জন পুলিশ সদস্য করোনাকে জয় করে সুস্থ হয়েছেন। করোনা জয়ী সম্মুখযোদ্ধা পুলিশ সদস্যগণ দেশের সেবায় আবারও কাজে যোগ দিয়েছেন।

শুক্রবার (২৯ মে) পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স  থেকে প্রেরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই  তথ্য জানানো হয়।

পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের জনসংযোগ শাখার এআইজি মো. সোহেল রানা স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাংলাদেশ পুলিশের করোনা আক্রান্ত পুলিশ সদস্যের প্রতি ৩ জনে ১ জন সদস্য ইতিমধ্যেই করোনাকে জয় করে সুস্থ হয়েছেন। জনগণের সেবা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে গিয়ে এ পর্যন্ত বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ ৪৫৪৪ জন গর্বিত সদস্য করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। পুলিশ সদস্যদের সুস্থতার হার ৩৪.৩৯ শতাংশ।

এআইজি মো. সোহেল রানা প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল ড. বেনজীর আহমেদ, বিপিএম (বার) মহোদয়ের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা ও নির্দেশনায় করোনা আক্রান্ত পুলিশ সদস্যদের সুচিকিৎসা ও সর্বোত্তম সেবা নিশ্চিত করতে নেওয়া হয়েছে নানামুখী পদক্ষেপ। এরই ফলশ্রুতিতে করোনা আক্রান্ত পুলিশ সদস্যদের সুস্থতার হার একদিকে যেমন দ্রুততার সাথে বাড়ছে, অন্যদিকে কমছে নতুন করে সংক্রমণের সংখ্যা।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, পুলিশ সদস্যদের মধ্যে করোনা সংক্রামণ ঝুঁকি কমাতে আইজিপি’র নির্দেশে বিভিন্ন ধরনের প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। একই সাথে আক্রান্ত পুলিশ সদস্যদের জন্য সর্বোত্তম সেবা ও শুশ্রূষা নিশ্চিত করতে বেসরকারি হাসপাতাল ভাড়া করাসহ সকল পুলিশ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ উন্নত চিকিৎসা সরঞ্জামাদি সংযোজন করা হয়েছে।

চলমান করোনাযুদ্ধে মাঠ পর্যায়ের প্রধান অগ্রসেনানী বাংলাদেশ পুলিশ। জনগণকে নিরাপদ রাখতে সম্ভাব্য সবকিছু করেই ফ্রন্ট-ফাইটার বা সম্মুখ যোদ্ধা খেতাব পেয়েছেন পুলিশের অকুতোভয় সদস্যরা। এ কারণে অনেক ঘাত-প্রতিঘাত সবার আগে পুলিশকে মোকাবেলা করতে হচ্ছে। তবুও একবিন্দু দমে না গিয়ে শক্ত মনোবল আর পূর্ণ উদ্যমে এগিয়ে চলছে বাংলাদেশ পুলিশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *