রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বলেছেন, ‘আগামীতে রাজশাহী হবে প্রাণবন্ত-প্রাণোচ্ছন্ন শহর, সবুজ শহর। নতুন নতুন পার্ক হবে, রাস্তাঘাট সুন্দর হবে, ঝকঝকে-তকতকে সবুজ শহর হবে। যথাযথ পরিকল্পনায় উন্নয়নের মাধ্যমে রাজশাহীকে বিশ্বের সেরা শহর করা সম্ভব। একাজে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।’

গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নগরীর সিএন্ডবি মোড়ের মনিবাজার চত্বরে ১৯তম বার্ষিক বনসাই প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

উদ্বোধকের বক্তব্যে মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, ২০০৮ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত আমি মেয়র থাকাকালে রাজশাহী ছিল প্রাণবন্ত, ঝকঝকে-তকতকে শহর। কিন্তু গত ৫ বছরে সব ম্লান হয়ে গেছে। আপনাদের সকলের সহযোগিতায় আমি আবারো মেয়র নির্বাচিত হয়েছি, আগামীতে রাজশাহীতে সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা হবে, খেলাধূলা হবে, নাটক হবে-সব মিলিয়ে এই শহর হবে প্রাণবন্ত শহর। মানুষ থাকবে হাসিখুশি। মানুষের মানসিক প্রশান্তির জন্যে গানবাজনা হবে, পদ্মার পাড়ে গিয়ে পদ্মার সৌন্দর্য ও নির্মল বাতাস উপভোগ করবে মানুষ।

রাজশাহী বনসাই সোসাইটির সভাপতি সৈয়দ মাহফুজ-ই-তৈাহিদ টিটুর সভাপতিত্বে উদ্বোধীন অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক কবি জুলফিকার মতিন, বনসাই সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক সারোয়ার মোর্শেদ প্রমুখ।

উদ্বোধীন অনুষ্ঠানের আলোচনা সভার আগে ফিতা কেটে প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। এরপর বনসাই ঘুরে দেখেন মেয়রসহ অন্যান্য অতিথিরা।

প্রসঙ্গত, রাজশাহী বনসাই সোসাইটি আয়োজিত বনসাই প্রদর্শনী আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে। প্রদর্শনীটি সবার জন্য উন্মুক্ত। প্রদর্শনীতে বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় পাঁচ শতাধিক বনসাই রয়েছে।